গতকাল রাতের আলোয় ব্র্যামল লেন স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক ম্যাচে শেফিল্ড ইউনাইটেড ৩-১ গোলের জয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ফিরেছে। ৩০ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে গুসতাভো হ্যামার, টায়েরিস ক্যাম্পবেল ও রিয়ান ব্রিউস্টারের গোল দলকে মূল্যবান তিন পয়েন্ট এনে দেয়। যদিও শেষ মুহূর্তে জ্যাক রুডোনির একটি গোল কিছুটা হতাশা তৈরি করেছিল। তবে পুরো ম্যাচে নজর কাড়েন বাংলাদেশি মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী।

হামজার শক্তিশালী পারফরম্যান্স শেফিল্ড ইউনাইটেডের মিডফিল্ডে বড় ভূমিকা রাখেন হামজা চৌধুরী। তাঁর বল কন্ট্রোল, ট্যাকল ও নিখুঁত পাসিং ম্যাচের বড় সুবিধা এনে দেয় ইউনাইটেডকে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর একটি জোরালো অন টার্গেট শট প্রতিপক্ষ গোলকিপার কলিন্স শেষ মুহূর্তে ঠেকিয়ে দেন। যার ফলে অল্পের জন্য গোলের দেখা পাননি তিনি।

প্রথমার্ধেই দুই গোল, হামজার নেতৃত্বে আক্রমণ প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ইউনাইটেড। ম্যাচের ১৯তম মিনিটে হ্যামার অসাধারণ এক কার্লিং শটে গোলকিপার ডোভিনকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর ৩০তম মিনিটে ক্যাম্পবেল দলের লিড দ্বিগুণ করেন। পুরো প্রথমার্ধে চৌধুরীর মিডফিল্ড থেকে বল কন্ট্রোল ও প্রেসিং প্রতিপক্ষকে ব্যাকফুটে রাখে।

দ্বিতীয়ার্ধের নিয়ন্ত্রণ ও জয় নিশ্চিত দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কিছুটা চাপের মুখে থাকলেও, চৌধুরীর দক্ষ নেতৃত্বে ইউনাইটেড খেলায় ফেরে। ৬২ মিনিটে ব্রিউস্টারের গোলে জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। ক্যাম্পবেলের পাস থেকে ব্রেরেটন দিয়াজের সেটআপে ব্রিউস্টার গোল করেন, যা দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের ফসল।

শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে শেফিল্ড ইউনাইটেড লিডস ইউনাইটেডকে টপকে চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলের শীর্ষে উঠে যায়। হামজা চৌধুরীর অসাধারণ পারফরম্যান্স এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা তাঁকে দলে আরও গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *