নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই এক বিতর্কিত নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। এই আদেশ অনুযায়ী, অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুরা আর নাগরিকত্ব পাবে না। এমনকি অস্থায়ীভাবে বৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর হবে।

ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থ শব্দগুচ্ছ এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই ২২টি রাজ্য দুটি ফেডারেল আদালতে মামলা করেছে।

আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আদেশ সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর মূলনীতির বিপরীত এবং এটা আদালতে টিকার মত না। ওয়াশিংটনের অ্যাটর্নি জেনারেল নিক ব্রাউন বলেছেন, ‘এই আদেশ প্রতি বছর হাজারো শিশুকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করবে।’

ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল রব বন্টা মন্তব্য করেন, আমরা সংবিধান রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া প্রত্যেকেই নাগরিক। তবে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের দীর্ঘকালীন আইনি ব্যাখ্যার সঙ্গে সরাসরি বিরোধ করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এই আদেশ আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়বে। আদালত এই ধরনের সাংবিধানিক পরিবর্তন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার আওতায় নয় বলে রায় দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই আদেশ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিকেই নয়, বরং ভবিষ্যতের রাজনীতি ও সামাজিক কাঠামোকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *