বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা লাভের পথটি কঠিন হওয়ায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেকেই এখন থাইল্যান্ডের দিকে ঝুঁকছেন। ভিসা প্রক্রিয়ার সহজলভ্যতা এবং চিকিৎসাসেবার মানের জন্য দেশটি বাংলাদেশি রোগীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। থাইল্যান্ডের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও সেবার মান এবং আন্তরিকতা বাংলাদেশী রোগীদের সন্তুষ্ট করেছে।

সম্প্রতি ঢাকার একটি গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নত মানের সেবার কারণে রোগীরা থাইল্যান্ডকে চিকিৎসার জন্য পছন্দ করছেন। থাই মেডিকিউর এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, গত তিন মাসে মেডিকেল ভিসার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

থাই মেডিকিউরের নাজনীন আক্তার সৃষ্টি জানান, এখন প্রতি মাসে ৩০ জনের বেশি রোগীর মেডিকেল ভিসা প্রসেস করা হচ্ছে। আগে এই সংখ্যা ছিল ২০ জন। এদিকে থাই দূতাবাস ১০ দিনের মধ্যে ই-ভিসা ইস্যু করছে, যা রোগীদের জন্য বড় সুবিধা বয়ে আনবে।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ডে যাত্রী সংখ্যা বাড়ায় অতিরিক্ত ফ্লাইট চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ড খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিপরীতে ভারতে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ড খরচ তুলনামূলক অনেক কমেছে।

ভারতীয় ভিসা জটিলতার কারণে থাইল্যান্ড এখন বাংলাদেশি রোগীদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।ফলে ভারতীয় ডক্টরসহ বিভিন্ন ফার্মেসীগুলোতে ব্যপক ধস নেমেছে। এনিয়ে অনেকেই পরিবার নিয়ে বেশ ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *