সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার ৪ জন জর্ডানি এবং ২ জন পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক পাচার এবং হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর এ রায় কার্যকর করা হয়।

এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আল-জাওফ অঞ্চলে ৪ জন জর্ডানীয় নাগরিক—মাহমুদ আবদুল্লাহ হাজিজ, নাজেহ মাশহান বখিত, সুলাইমান ঈদ সুলাইমান এবং আতাউল্লাহ আলি দঘেইমান সালেম মাদকদ্রব্য অ্যামফেটামিন ট্যাবলেট সৌদি আরবে পাচারের চেষ্টা করেন। তদন্ত শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে। উচ্চ আদালতের অনুমোদন এবং রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে রায় কার্যকর করা হয়।

পাকিস্তানি নাগরিক

কাসিম প্রদেশে পাকিস্তানি নাগরিক সাফাত লোলাহ আনোয়ার শাহের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তিনি বাংলাদেশি নাগরিক মুদ বশির আহমদ রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করেন! সাফাত লোলাহ প্রথমে তাকে মাথায় আঘাত করেন এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ পুঁতে রাখেন।

তদন্তে তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর আদালত ‘হত্যার জন্য হত্যা’ নীতি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে। আদালতের উচ্চতর পর্যায়ে আপিল এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এই রায় কার্যকর করা হয়।

একই দিনে মক্কা অঞ্চলে পাকিস্তানি নাগরিক মিসরি খান খান নওয়াবের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তিনি সৌদি আরবে হেরোইন পাচারের চেষ্টা করেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন, যা পরে উচ্চ আদালত এবং রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাদক পাচার এবং সমাজে হুমকি সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ করা হচ্ছে। একই সাথে মন্ত্রণালয় সবাইকে সতর্ক করেছে যে, শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী যে কেউ আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *