দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার পর বাংলাদেশকে ওয়ানডে সিরিজে পরাজিত করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন ম্যাচের এই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সাত উইকেটের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। জয়ের নায়ক ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার জেডেন সিলস। ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে অল্প রানে গুটিয়ে ফেলে এই পেসার। পাশাপাশি ব্যাট হাতে ব্র্যান্ডন কিংয়ের ৮২ রানের ঝড়ো ইনিংসে মাত্র ৩৬.৫ ওভারেই ম্যাচ জেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 

বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৪৫.৫ ওভারে ২২৭ রানে অলআউট হয়। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৬২ রানের ইনিংস এবং তরুণ পেসার তানজিম হাসানের সঙ্গে ৯২ রানের রেকর্ড অষ্টম উইকেট জুটি দলকে ২০০ পার করতে সাহায্য করে। তবে সিলসের আগুনঝরা বোলিংয়ে (৪/২২) বাংলাদেশ ইনিংসের শুরুতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের পথে কিংয়ের ৮২ রানের পাশাপাশি এভিন লুইসের ৪৯ এবং কেসি কার্টির ৪৫ রানের ইনিংস দারুণ ভূমিকা রাখে। দলীয় অধিনায়ক শাই হোপ এবং শেরফান রাদারফোর্ড অপরাজিত থেকেই দলকে জয় এনে দেন।

বাংলাদেশের হয়ে শুরুটা করেন তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তিনি ঝড়ো গতিতে ৪৬ রান তুলেন। তবে অন্যপ্রান্তে ব্যাটারদের ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ ১১৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুঁকতে থাকে। মাহমুদউল্লাহ এবং তানজিমের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাটিং দলকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেয়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের জবাবটা ছিল দুর্দান্ত। প্রথম উইকেটে লুইস ও কিংয়ের ১১৬ রানের জুটিতে সহজ জয়ের ভিত্তি গড়ে ওঠে। কিং তার ইনিংসে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান। লুইস এবং কার্টির বিদায়ের পরও উইন্ডিজ ব্যাটিং ছিল দাপুটে। শেষ দিকে রাদারফোর্ডের পরপর দুই ছক্কায় ম্যাচ শেষ হয়।

এই সিরিজ জয়ের মাধ্যমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ টানা দুই ওয়ানডে সিরিজ জিতল। এর আগে তারা ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশ তাদের শেষ ছয় ওয়ানডে সিরিজের মধ্যে মাত্র একটি জিতেছে।

স্কোর

বাংলাদেশ: ২২৭ (৪৫.৫ ওভার)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২৩০/৩ (৩৬.৫ ওভার)

ম্যাচ সেরা: জেডেন সিলস (৪/২২)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *