পাকিস্তানি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি আবারও আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর ওডিআই বোলার হিসেবে ফিরে এসেছেন। একই ফরম্যাটে বাবর আজম নাম্বার ওয়ান ব্যাটসম্যান হিসেবে অবস্থান করছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচে ১২.৬২ গড়ে আফ্রিদির নেওয়া আট উইকেট তাকে কুলদীপ যাদব, রশিদ খান এবং কেশব মহারাজকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে পৌঁছুতে সহায়তা করেছে। আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খান রয়ে গেছেন ২ নম্বরে। মহারাজ প্রথম থেকে তৃতীয় স্থানে এবং কুলদীপ এক ধাপ নেমে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় প্রথমবারের মতো র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান দখল করেছিলেন পাকিস্তানি এই পেসার। যদিও সেই অবস্থান বেশিদিন ধরে রাখতে পারেননি। তারপর আজ আবার দ্বিতীয়বারের মতো আফ্রিদি ওডিআই র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান দখল করলেন।

আফ্রিদির পেস ইউনিটের আরেক সতীর্থ হারিস রউফ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ১০ উইকেট নেওয়ার পরে ১৪তম স্থান থেকে এক ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে এসেছেন। সিরিজের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও উঠেছিল তার হাতে। নাসিম শাহ র‍্যাংকিংয়ে ১৪ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারের সেরা অবস্থান ৫৫তম স্থানে উঠে এসেছেন।

বাবরের ৩৭, ১৫ এবং ২৮ স্কোর ওডিআই ব্যাটারদের মধ্যে তার লিড আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি এখন যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে থাকা ভারতীয় তিন ব্যাটার রোহিত শর্মা, শুভমান গিল এবং বিরাট কোহলির থেকে বেশ এগিয়ে আছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজের পর অলরাউন্ডাররা বেশ লাভবান হয়েছেন। প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ মোহাম্মদ নবী ১ নম্বর ওডিআই অলরাউন্ডার হিসেবে রয়ে গেছেন। রশিদ খান এক ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে চলে এসেছেন এবং আজমতুল্লাহ ওমরজাইয়ের অসাধারণ অলরাউন্ডিং নৈপুণ্য তাকে র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৯ নম্বরে পৌঁছে দিয়েছে। বর্তমানে শীর্ষ ১০ অলরাউন্ডারের তালিকায় তিনজন আফগান খেলোয়াড় রয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ এই সিরিজে তিন উইকেট নিয়েছিলেন। পাশাপাশি তৃতীয় ওয়ানডেতে করেছিলেন ৬৬ রান। সিরিজ শেষে চার ধাপ এগিয়ে তিনিও ৪ নম্বরে উঠে এসেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *