ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সংগৃহীত বৈধ অস্ত্র ফেরত দেয়ার বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। যাদের অস্ত্র ফেরত দেয়ায় আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা রয়েছে বা যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে, তারা এই সুবিধার আওতায় থাকবেন না। বৈধ অস্ত্র ফেরতের আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত বুধবার ৩০শে অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য ইস্যুকৃত ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৩রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থানায় জমাকৃত ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত দেয়ার জন্য জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে সদস্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে জেলা পুলিশ সুপার এবং এনএসআই এর উপপরিচালকও সদস্য হিসেবে থাকবেন।

কমিটির দায়িত্ব ও কার্যপরিধি

জেলা পর্যায়ের এসব কমিটিকে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে জমাকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ফেরতের আবেদন যাচাই-বাছাই এবং অনুমোদন প্রদান করতে হবে। এবং নিম্নরূপে কাজ করতে হবে:

১. আবেদন যাচাই-বাছাই: যারা বৈধ অস্ত্র ফেরত চাচ্ছেন, তাদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে সঠিক আবেদনকারীদের অস্ত্র ফেরত দেয়া হবে।

২. আইনশৃঙ্খলা ঝুঁকির মূল্যায়ন: যেসব অস্ত্র ফেরত দেয়ার ফলে আইনশৃঙ্খলার অবনতির সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলো ফেরত দেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আসবে না।

৩. আবেদনের যৌক্তিকতা পৃথক পৃথকভাবে বিশ্লেষণপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। প্রতিটি সিদ্ধান্ত বিচার বিশ্লেষণ করে গ্রহণ করা।

সর্বোপরি কমিটি গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের প্রতিবেদন প্রতিমাসের প্রথম সপ্তাহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে পাঠাতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *