ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস বলেছেন, ‘রুবেন আমোরিমের অধীনে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে তাদের প্রাপ্য স্থান ফিরে পেতে হবে।’ সম্প্রতি লেস্টার সিটির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে ফেরা ইউনাইটেডের হয়ে ২৫০তম ম্যাচ খেললেন ফার্নান্দেস, যেখানে তিনি একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেছেন এবং প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় ভিক্টর ক্রিস্টানসেনের মাধ্যমে একটি আত্মঘাতী গোল করিয়েছেন।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ইউনাইটেডের হয়ে ১৭০ ম্যাচে তিনি সরাসরি ১০০টি গোলের সাথে যুক্ত রয়েছেন, যাতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর (১৬৯ ম্যাচে ১০০ গোল সংশ্লিষ্টতা) চেয়ে মাত্র এক ম্যাচ বেশি সময় লেগেছে।

পূর্ববর্তী কোচ এরিক টেন হাগের বিদায়ের পর অন্তর্বর্তী কোচ রুড ভ্যান নিস্টেলরয়ের অধীনে ইউনাইটেড তাদের শেষ চার ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। তবে সোমবার থেকে নতুন হেড কোচ রুবেন আমোরিমের অধীনে খেলতে নামবে তারা। ভ্যান নিস্টেলরয়ের নেতৃত্বে বিদায়ী জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি ফার্নান্দেস এবং নতুন কোচের অধীনে আরও উন্নতির প্রত্যাশা করছেন তিনি।

ফার্নান্দেস বলেন, “আমি অনেক দিন গোল পাচ্ছিলাম না। আর এখন সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে গোল আসছে। আরেকটা ক্লিন শিট আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমাদের এই জায়গায় উন্নতি করতে হবে এবং সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

রুড ভ্যান নিস্টেলরয় এই ক্লাবকে ভালবাসেন এবং সবাইকে হাসিমুখে মাঠে নামতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। বিদায় জানানোর সময়টাও স্মরণীয় করতে চেয়েছি। কারণ তিনি আমাদের জন্য ভালো কিছু করেছেন। এখন নতুন কোচের অধীনে একটি নতুন যুগ শুরু হচ্ছে। তবে যা বদলায়নি তা হলো, এই ক্লাবকে তার প্রাপ্য জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমাদেরকে সেই চেষ্টাটাই চালিয়ে যেতে হবে।”

লেস্টার সিটির এই পরাজয় তাদের চলতি প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের প্রথমবারের মতো গোলবঞ্চিত রাখল। ১১ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টিতে জয় পাওয়া দলটি এ পর্যন্ত ৫টি হার ও ৪টি ড্র করেছে।

ম্যাচটিতে লেস্টারের জন্য বড় কিছু সুযোগ এসেছিল। কিন্তু ইউনাইটেডের গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা এনডিডি ও জর্ডানের প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন। তাছাড়াও দলের গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ার জেমি ভার্ডির অনুপস্থিতির কারণে লেস্টারের আক্রমণও অতো ভালো ছিল না। যদিও হেড কোচ স্টিভ কুপার তাদের পারফরম্যান্সের জন্য ভার্ডির অভাবকে অজুহাত হিসেবে দেখেননি।

কুপার বলেন, “ফলাফল আমাদের অসংগতিশীলতা প্রকাশ করে। আমরা প্রতিপক্ষের দুটো দূরপাল্লার শটের সামনে বাধা দিতে পারিনি। আমাদেরই কর্নার থেকে দুইটি গোল হয়েছে, যা খুবই হতাশার। আমাদের কিছু ভালো মুহূর্ত ছিল, কিন্তু প্রয়োজনীয় মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস ছিল না। আমরা আমাদের খেলার জায়গাগুলোতে প্রবেশ করতে পেরেছি, কিন্তু যথাযথ মানসিকতা দেখাতে পারিনি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *