সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। যেই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনার আগুনে আরও ঘি ঢেলেছে। কারণ, চীন বহুদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবী করে আসছে।

বিক্রি চুক্তির মধ্যে ৩টি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (NASAMS) ,  দূরপাল্লার AMRAAM’ ক্ষেপণাস্ত্র, ১২৩টি রকেটসহ মোট ১.১৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর সরঞ্জামাদি থেকে সরাসরি সরবরাহকৃত ৮২৮ মিলিয়ন ডলার মূল্যের রাডার সিস্টেমও আছে এই চুক্তিতে ।

এদিকে তাইওয়ানের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন জানিয়েছে, এই বিক্রি চুক্তি বাস্তবায়ন হলে প্রথমবারের মতো তাইওয়ান উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাবে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এই অস্ত্র বিক্রি তাদের জাতীয় নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে।

এছাড়া এই বিক্রির ফলে তাইওয়ানের সামরিক শক্তির আধুনিকীকরণ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রখার সুযোগ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের কারণে ক্ষুব্ধ চীন। কারণ তারা বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করার হুমকি দিয়ে থাকে। তাইতো চীন আগেও তাইওয়ানের জন্য মার্কিন অস্ত্র বিক্রির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

এদিকে, চীন সম্প্রতি তাইওয়ানের আশেপাশে তাদের সামরিক চাপ বাড়িয়েছে এবং সেখানে নিয়মিত সামরিক মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে। চলতি অক্টোবরেও তাইওয়ানের আকাশসীমার কাছে চীনের রেকর্ড সংখ্যক যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *