তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার কাহরামান কাজান অঞ্চলে অবস্থিত মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিষয়ক শীর্ষ কোম্পানি তুর্কি এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির (TUSAS) সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় দুই সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার পাশাপাশি ৩ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছে আরও ১৪জন। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া নিজস্ব এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এক্স পোস্টে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া লিখেন, ‘এই সন্ত্রাসী হামলায় আমাদের অনেক সহকর্মী শহিদ হয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। আমরা শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য প্রত্যাশা করছি।’

এদিকে হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী, অগ্নিনির্বাপক কর্মী এবং চিকিৎসা দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় বিস্ফোরণ এবং গুলির শব্দে পুরো এলাকায় এক ভয়ানক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, হামলার ব্যাপারে তদন্ত চলমান এবং শীঘ্রই তদন্তের সর্বশেষ তথ্য জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এই হামলা তুরস্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং দেশের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

ইতিমধ্যে এই ঘটনায় যৌথ অভিযান চালিয়ে কুর্দি সন্ত্রাসী সংগঠন পিকেকের সাথে জড়িত বারি লুসোবভ নামের একজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এবং নিরাপত্তা বাহিনী।

লুসোবভ রাশিয়া, কাজাখস্তান, আর্মেনিয়া এবং ইরাকের মাখমুর এলাকায় সন্ত্রাসী সংগঠন পিকেকের প্রচারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। তুরস্কের গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, লুসোবভ পিকেকে নেতাদের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করতেন এবং সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমেও অংশ নিতেন। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারের পর তদন্তের জন্য লুসোবভকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দিয়েছে তুর্কি আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *